যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না বার্ষিক পরীক্ষা

63

download-1লাইভ ডেস্ক ঃ 

সারাদেশের মতো পূর্ব নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী ১০ ডিসেম্বর শনিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হলেও নীলফামারী সদর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪০ হাজার শিক্ষার্থী তা দিতে পারছে না। প্রশ্নপত্র তৈরি না হওয়ায় প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিদ্যালয়ে গনিত পরীক্ষা দিতে এসে পরীক্ষা না হওয়ার সংবাদ পেয়ে ফিরে গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নীলফামারী জেলার অপর ৫ উপজেলা ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরীগঞ্জ ও সৈয়দপুরে যথা নিয়মে পরীক্ষা শুরু হলেও নীলফামারী সদরের ২০৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪০ হাজার শিক্ষার্থীরা আজ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।
সদর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা  জানান, তারা গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রশ্নপত্র আনতে গেলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা প্রশ্নপত্র সরবরাহ করতে দেরি করতে থাকেন। একপর্যায়ে বিকালেও প্রশ্ন দিতে না পেরে শনিবারের গনিত পরীক্ষাটি সবার শেষে নেওযা হবে বলে শিক্ষকদের জানিয়ে দেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার শরিফুল ইসলাম।

নীলফামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানিক ভুষন চক্রবর্তী  জানান, একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কোন পরীক্ষা কখন হবে সেটি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। বার্ষিক পরীক্ষাও সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী হওয়ার কথা কিন্তু প্রশ্নপত্র তৈরি না হওয়ায় প্রথম পরীক্ষা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, একমাস আগে পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা এবং যথাসময়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করার কথা। সে হিসেবে শনিবার থেকে সারাদেশে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষার দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রশ্নপত্র তৈরি না হওয়ায় শনিবারের গণিত পরীক্ষা সবশেষে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নীলফামারী সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

নীলফামারী সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার শরিফুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার শিক্ষা বিষয়ে এক কর্মশালায় ব্যস্ত থাকায় প্রশ্নপত্রের বিষয়টি সমাধান করতে পারিনি। এছাড়া ছাপাখানা (প্রেস) প্রশ্নপত্র সরবরাহ করতে পারেনি। যার কারণে শনিবারের গনিত পরীক্ষা সব শেষে নেওয়া হবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিলীপ কুমার বণিক জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সা/ল/০০৭

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY