মওলানা ভাসানীই স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি : ড. মোশারফ

173

mosharafjpg_2016-01-13_23-08-25ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক : মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীই স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আবদুল হামিদ খান ভাসানীই `আসসালামু আলাইকুম` বলে প্রথম পাকিস্তানের বিরোধীতা করে ছিলেন। এর মধ্যে দিয়ে তিনিই (ভাসানী) প্রথম মুক্তিযুদ্ধের রুপকার হিসাবে স্বীকৃতি পান। সুতরাং ভাসানী বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মৃত্যু বার্ষিকী ৪০তম উপলক্ষে বিএনপির ‘মাওলানা ভাসানী মৃত্যু বার্ষিকী পালন জাতীয় কমিটি’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন বিএনপির চেয়াপার্সনরে উপদেষ্টা এডভোকেট নজমুল হক নান্নু, আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ-সাংগঠনিক আব্দুস সালাম আজাদ, ওলামা দলের সভাপতি এম এ মালেক প্রমুখ।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, মাওলানা ভাসানী `আওয়ামী মুসলিম লীগ` প্রতিষ্ঠাতা। তিনি দেশের গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলেছেন ও কাজ করেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানও একই আর্দশে কাজ করেছেন। ফলে ভাসানীর আর্দশেই বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু বর্তমান আওয়ামী লীগ ভাসানী ও শহিদ জিয়ার আর্দশের বাইয়ে কাজ করছে। সেই কারণেই ভাসানী ও শহীদ জিয়াকে আওয়ামী লীগ ভয় পায়।

খন্দকার মোশাররফ অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ তাদের প্রতিষ্ঠাতা `ভাসানীকে` স্মরণ করে না। এমনকি তার মৃত্যুবার্ষিকীও পর্যন্ত পালন করে না। এটা অত্যন্ত দু:খজনক। তিনি বলেন, আজকে বাংলাদেশে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, জনগণের মৌলিক অধিকার ও বিরোধী দলের সমাবেশ করার অধিকার নেই। দেশে গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠায় ভাসানী ও শহীদ জিয়ার আর্দশে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে শামসুজ্জামান দুদু শাসকদলের উদ্দেশে বলেন, আমরা কাউকে আক্রমণ করে কথা বলি না। আমরা ইতিহাসের কথা বললে তারা আঘাতপ্রাপ্ত হন। ক্ষমতায় এলে মওলানা ভাসানী ও জিয়াউর রহমানকে যেভাবে অপদস্থ করা হয়েছে, আমরা এভাবে কাউকে অপদস্থ করবো না। ইতিহাস যাকে যেখানে স্থান দিয়েছে, তাকে সেই স্থানে রেখেই সম্মানিত করা হবে। তিনি বলেন, যেসব স্থান থেকে মওলানা ভাসানীর নাম মুছে ফেলা হয়েছে, সেখানে তা আবারো বসানো হবে। জিয়াউর রহমানেরও নাম বসানো হবে।

ভাসানীর স্মৃতিচারণ করে সাবেক এই ছাত্রনেতা বলেন, তিনি মাটি-মানুষের নেতা ছিলেন। তার করা রাজনৈতিক দল শেখ মুজিবুর রহমান নিষিদ্ধ আর জিয়াউর রহমান পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন।

(লাইফবার্তা২৪ডটকম/ জিএম / নভেম্বর ১৬, ২০১৬)

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY