বেয়ারস্টোর সেঞ্চুরিতে উড়ে গেল নিউজিল্যান্ড

22

ক্রীড়াডেস্কঃ

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে রস টেলরের ইনজুরিতে কপাল পুড়ল নিউজিল্যান্ডের। ব্যাটিংয়ে তার অভাব ভুগিয়েছে কিউইদের।

সুযোগটিকে কাজে লাগিয়েছে ইংল্যান্ড। বোলাররা শুরুতেই স্বাগতিকদের আটকে রাখে অল্প রানে। পরবর্তীতে ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সহজেই জয় পায় ইংলিশরা। পাঁচ বছর পর নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড, ৩-২ ব্যবধানে। সবশেষ সিরিজ জিতেছিল ২০১৩ সালে, ২-১ ব্যবধানে।

ক্রাইস্টচার্চে আগে ব্যাট করতে নেমে ২২৩ রানে শেষ হয় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। জবাবে ১০৪ বল আগে ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত হয় ইংল্যান্ডের ।

সফরকারীদের সহজ জয় এনে দেন ওপেনার জনি বেয়ারস্টো। ঝড় তুলে ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান তুলে নেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। ৩৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি ছোঁয়া বেয়ারস্টো সেঞ্চুরির স্বাদ পান ৫৮ বলে। ৬০ বলে সাজান ১০৪ রানের ইনিংস। ৯ চার ও ৬ ছক্কা ছিল তার ইনিংসে। এরপর হিট উইকেটে সাজঘরে ফেরেন ট্রেন্ট বোল্টের বলে।

বেয়ারস্টোকে সঙ্গ দেন ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। উদ্বোধনী জুটিতে ১৫৫ রান করেন বেয়ারস্টো ও হেলস। হেলস ৬১ রানে সাজঘরে ফেরেন মিচেল স্ট্যানারের বলে। বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি এউইন মরগান (৮)। জো রুট ২৩ ও বেন স্টোকস ২৬ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২২৩ রানের বেশি করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন স্পিন অলরাউন্ডার মিচেল স্ট্যানার। এ ছাড়া হিনরি নিকোলস ৫৫ ও মার্টিন গাপটিল ৪৭ রান করেন।

নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখে ইংলিশরা। বল হাতে ইংলিশদের সেরা ক্রিস ওকস ও আদিল রশীদ। ৩টি করে উইকেট নেন তারা। ২টি উইকেট নেন টম কুরান।

ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন জনি বেয়ারস্টো। সিরিজ সেরা ক্রিস ওকস।

আহাস/০০২ 

 

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY