বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা ; প্রতিটি ধর্মের মূল বাণী হলো মানবকল্যাণ : বাংলাদেশ ন্যাপ

46

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য বজায় রেখে জাতীয় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র রক্ষায় যথাযথ ভূমিকা পালন করতে ধর্ম, বর্ণ ও মত নির্বিশেষে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

শুক্রবার গণমাধ্যমে বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে প্রেরিত এক বাণীতে নেতৃদ্বয় বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তাদের সকলের সুখ, শান্তি ও দীর্ঘ জীবন কামনা করেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, প্রতিটি ধর্মের মূল বাণী হলো মানবকল্যাণ। আমি বিশ্বাস করি, এই অস্থির ও অসহিষ্ণু বিশ্বে মানবতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বুদ্ধের মতাদর্শ খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বৌদ্ধ সম্প্রদায় ঐতিহ্য এবং বুদ্ধের অমর আদর্শ ধারণ করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। গৌতম বুদ্ধের বাণী- অহিংসা পরম ধর্ম- এখনো সমাজের জন্য প্রযোজ্য।

তারা বলেন, মহামানব গৌতম বুদ্ধ ত্যাগের মধ্য দিয়ে সুখ আহরণে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। সকল মায়াবী বন্ধন উপেক্ষা করে চলার পথের সকল প্রতিকুলতাকে সহ্য করে তিনি বোধিজ্ঞান বা বুদ্ধত্ব লাভ করেন। বুদ্ধত্ব লাভের মাধ্যমে তিনি জগতের সকল প্রাণীর কল্যান, সুখ ও মঙ্গলের জন্য নিরন্তর ধর্ম প্রচার করেছেন। ন্যায় ও অহিংসাই হচ্ছে তাঁর বাণীর মূল প্রতিপাদ্য।

ন্যাপ চেয়ারম্যান ও মহাসচিব বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, জাতীয় নেতা শশিউর রহমান যাদু মিয়া ও শফিকুল গানি স্বপনের প্রদর্শিত প্রগতিশীল বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী দর্শণেই এদেশের সকল বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠী সমূহ ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের কল্যাণ করা সম্ভব। জাতীয়তাবাদই সকলকে একই বন্ধনে আবদ্ধ করে। পরস্পরের মধ্যে শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্য সৃষ্টি করে।

তারা বলেন, বাংলাদেশের এই চরম দূর্দিনে মানুষ এখন চরম দুর্দশাগ্রস্ত। এই মূহুর্তে মহামানব গৌতম বুদ্ধের বাণী আমাদেরকে সামনের সুদিনের পথে এগিয়ে যেতে প্রেরণা যোগাবে। বুদ্ধ পূর্ণিমার সাফল্য এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী সকলের সুখী ও শান্তিময় জীবন কামনা করি।

লাইভবার্তা/ জিএম / ১৭ মে এপ্রিল, ২০১৯

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY