প্রতিবাদ নয়, এখন প্রতিরোধ প্রয়োজন : নজরুল

195

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রতিবাদ নয়, সরকারের বিরুদ্ধে এখন প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

শুক্রবার এফডিসি মোড়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি জোটের অন্যতম শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের ওপর হামলার প্রতিবাদে এ সভা আয়োজন করা হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) কুমিল্লার চান্দিনায় ‘ড. রেদওয়ান আহমেদ কলেজ’-এর নতুন ভবন উদ্বোধন করতে গেলে সেখানে ‘দুষ্কৃতকারী’দের হামলার শিকার হন অলি আহমদ বীর বিক্রম।

জোট নেতার ওপর এ ধরনের হামলার নিন্দা জানিয়ে জোটের প্রধান সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘প্রতিবাদ করছি, করব আমরা। কিন্তু শুধুই প্রতিবাদে এই সরকারের অনাচার, নির্যাতন বন্ধ হবে বলে মনে হয় না। প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে তাদের অত্যাচার নিপীড়নের বিরুদ্ধে। আগামী দিনে সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই ২০ দলীয় জোট সিদ্ধান্ত নেবে।’

তিনি বলেন, ‘দিন যতই যাচ্ছে, ততই পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। আমরা দেখলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীরা দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে দাবি আদায়ে মাঠে নেমেছে। কিন্তু তাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে!’

‘আন্দোলনকারীদের নেতারা এখন গুম হয়ে আছেন, জেলখানায় আছেন, রিমান্ডে আছেন এবং সব চেয়ে বড় কথা, সবার সামনে প্রকাশ্যে তাদেরকে দৈহিক নির্যাতন করা হয়েছে। হাতুড়ি দিয়ে তাদের হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে’— বলেন নজরুল ইসলাম খান।

দেশের সব জনগণ সরকারের শত্রু হয়ে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন এমন পর্যায়ে গেছে, কাউকে বিরোধীদল করতে হয় না। শুধু যদি সরকারি দল না করেন, নিরপেক্ষ থেকেও কোনো মুক্তি নেই। কোনো বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলেই শাস্তি পেতে হবে। দলের লোক দিয়ে পেটানো হবে, সরকারের বিভিন্ন বাহিনী দিয়ে নির্যাতন করানো হবে।’

ড. রেদওয়ান আহমেদের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম।

প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, (অপরাংশ) মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, ডিএল’র সাধারণ সম্পাদক সাঈফুদ্দিন আহমেদ মনি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আহমেদ, এলডিপি প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল করিম আব্বাসী, আবদুল গণি, যুগ্ম মহাসচিব তমিজউদ্দিন টিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ বাশার প্রমুখ।

লাইভবার্তা/ জিএম / ১৩ জুলাই, ২০১৮

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY