দিয়াজ মৃত্যুর কূলকিনারা হবে কি ?

210

images-3লাইভ ডেস্ক ঃ 

দিয়াজ মৃত্যুর রহস্য নিয়ে তাঁর পরিবার ও আদালতের একটা মিলতাল হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে অদৃশ্য একটা তৎপরতা দেখা যাচ্ছে বলে মত তাঁর পরিবারের স্বজনদের। কেন এই মৃত্যু- তা নিয়ে আছে বিতর্কও। দেশের  আর দশটা অপমৃত্যুর দোহায় দিয়ে এটির গন্তব্য কোথায় যাবে সেটা নীয়েই আছে দেশব্যাপি আলোচনা।

গত ২০ নভেম্বর রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর প্রবেশ গেটের সামনে অবস্থিত বাসার নিজ কক্ষ থেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর  ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর লাশের ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানানো হয়, দিয়াজ আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু এই প্রতিবেদন মানতে রাজি হয়নি দিয়াজের পরিবার। বানানো প্রতিবেদন বলে দাবী করে স্বজনেরা । তারা দ্বিতীয় দফায় ময়নাতদন্ত করার জন্য আদালতে আবেদন করেন। পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত দিয়াজের লাশের দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্তের অনুমতি দেন।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিপলু কুমার দে লাশ উত্তোলনের এই আবেদন মঞ্জুর করেন।

এদিকে শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭ টায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর লাশ কবর থেকে ওঠানো হয়েছে দ্বিতীয় দফায় ময়নাতদন্তের জন্য।

এই প্রসঙ্গেই  অপরাধ তদন্ত বিভাগের এএসপি অহিদুর রহমান জানান, দিয়াজের লাশ উত্তোলনের কাজ শেষ করে ঢাকায় রওনা দেয়া হয়েছে।

দিয়াজের লাশ উত্তোলনের সময় তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিআইডির এএসপি অহিদুর রহমান, হাটহাজারির এসিল্যান্ড ও দিয়াজের পরিবারের কয়েকজন সদস্য।

অন্যদিকে আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের তিন সদস্যের কমিটি দিয়াজের লাশের দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত করবেন। দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন জমা দেয়ার কোন নির্ধারিত সময় উল্লেখ করেনি আদালত। তবে প্রতিবেদন অতি শিঘ্রই জমা দেয়া হবে জানান এসপি অহিদুর রহমান।

দিয়াজের মৃত্যু ও তাঁর স্বজন এবং বন্ধ মহলের একটাই জিজ্ঞাসা। সেটা হল- “এটা আত্মহত্মা নয়, এটি ব্যক্তি বিশেষের কুচেষ্টা । কিন্তু পুলিশ বলছে, অন্যকিছুই। এখন আদালতের নতুন সিদ্ধান্ত হয়ত একটা রাস্তা দেখাচ্ছে। তবে  আমরা চাই এর সুষ্ঠু পরিণতি।”

 

সা/ল/০০১ 

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY