ছাত্র সংসদ নির্বাচন না থাকায় অগণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হচ্ছে

4

a

লাইভ বার্তাঃ

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ করার মধ্য শিক্ষকদের স্বেচ্ছাচারিতা ও অগণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। কেননা ৭৩-এর অ্যাক্ট অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে পাঁচজন নির্বাচিত ছাত্রনেতা উপস্থিত থাকার কথা।

কিন্তু ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ থাকায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বলা যায়, ছাত্রনেতাদের উপস্থিতি ছাড়া সিন্ডিকেটের সকল সিদ্ধান্ত অবৈধ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছাত্র ইউনিয়নের ৩০তম সম্মেলনে এসব কথা বলেন বক্তারা। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় দলীয় টেন্টে সম্মেলনটি শুরু হয়। এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন রাবির সাবেক রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালাম।



সম্মেলনে অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে তথ্য-প্রযুক্তিকে জ্ঞানে রুপান্তর করতে হবে। আর ছাত্র ইউনিয়নকেই এ দায়িত্ব নিতে হবে। দেশের প্রত্যেক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ থাকতে হবে। ছাত্রসংসদ নির্বাচন হলে নতুন নেতৃত্ব আসবে, নতুন নতুন চিন্তা আসবে। এভাবেই দেশ এগিয়ে যাবে।

ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক জি এম জিলানী বলেন, মানুষ যেমন সামাজিক জীব, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে- সামাজিক সত্ত্বা। বিশ্ববিদ্যালয়কে সেই ভূমিকা রাখতে হবে, যা রাষ্ট্র ও জনগণ প্রত্যাশা করে। এই প্রত্যাশা- জাতিকে পথ প্রদর্শনের ও নেতৃত্ব তৈরির।

ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি লিটন নন্দী বলেন, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রয়েছে, যা ৭৩-এর অ্যাক্ট পরিপন্থী। এর মধ্য দিয়ে ‘পেশী-শক্তির’ রাজত্ব কায়েম করেছে প্রশাসন। শিক্ষকদের স্বেচ্ছাচারিতা ও অগণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করেছে।

সম্মেলনে রাবি ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জামান সোহানের সঞ্চালনা আরও বক্তব্য দেন, ছাত্র রাবি ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সুমনা সরকার ঝুমুর, সাবেক সহ-সভাপিত শফিকুল ইসলাম, রাবি ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি কিংশুক কিঞ্জল, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায় প্রমুখ।

এর আগে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে দলীয় টেন্ট থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় সেখানে আসে।

ঝ/২০

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY