কে কার স্বামী, কে কার স্ত্রী!

659

l3লাইভ বার্তা ডেস্কঃ 

বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক মানেই অধিকাংশ দেশে আইন এবং সমাজের চোখে তা অপরাধ। কিন্তু এমন কোনও জায়গার কথা কি শুনেছেন, যেখানে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককেই প্রশয় দেওয়া হয়?

প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ দিকে পাপুয়া অ্যান্ড নিউ গিনির ট্রোব্রায়ান্ড অ্যাইল্যান্ডের বাসিন্দারা ‘মুক্ত ভালবাসা’-তেই বিশ্বাস করেন। অর্থাৎ, বিবাহিত বা অবিবাহিত পুরুষ, মহিলাদের একাধিক সম্পর্কে জড়ানোটাই এখানে স্বাভাবিক নিয়ম। শুধু তাই নয়, গ্রামে গ্রামে থাকে আলাদা ভালবাসার ঘর। সেখানে গিয়ে নিজের মনের মানুষটির সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন যে কোনও পুরুষ বা মহিলা।

এই দ্বীপের গ্রামে গ্রামে থাকে এমনই ভালবাসার ঘর।

 

মূলত আদিবাসী অধ্যূষিত এই দ্বীপের রীতি-রেওয়াজ শুনলে আদিম যুগের কথা মনে পড়তে বাধ্য। বিশেষত যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে এখানাকার বাসিন্দাদের দৃষ্টিভঙ্গি একেবারেই খোলামেলা। যদিও, তা নিজেদের জনজাতির বাসিন্দাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সাদা চামড়া এবং চুলের মানুষদের এঁরা অশুভ বলেই ধরে নেন।

ট্রোব্রায়ান্ড আইল্যান্ডের মহিলারা বহুগামী হলেও সমস্যা নেই। তাঁদের সন্তানদের সযত্নে লালন-পালন করে মহিলার পরিবার। শুধু তাই নয়, খুব অল্প বয়স থেকেই এখানকার ছেলে, মেয়েরা প্রেম, যৌনতার সঙ্গে পরিচিত হয়ে যায়। কিন্তু সবটাই নিজেদের জনজাতির তৈরি করা নিয়ম অনুযায়ী। ফলে, বহুগামিতার বিপদগুলি সম্পর্কেও কোনও ধারণা থাকে না এঁদের। ফলে সহজেই এইচআইভি এবং এইডসের সহজ শিকার হন এই দ্বীপের বাসিন্দারা।

ছোট বয়স থেকেই এই জনজাতির ছেলে মেয়েরা প্রেম এবং যৌনতার সঙ্গে পরিচিত হয়ে যায়।

বর্তমান প্রজন্মের কয়েকজন আধুনিক শিক্ষার সুযোগ পেলেও যৌনজীবনের প্রতি তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গিতে এখনও কোনও পরিবর্তন আসেনি। এঁদের বিশ্বাস, পুরুষ শুধুমাত্র মহিলাকে গর্ভবতী করার পথটি প্রশস্ত করে দেন। কিন্তু আসলে সব সন্তানেরই আসল পিতা বালোমা নামে এক উপদেবতা।

এই দ্বীপের বাসিন্দাদের আরও একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় দিক রয়েছে। ট্রোব্রায়ান্ড অ্যাইল্যান্ডে ক্রিকেট খেলা অত্যন্ত জনপ্রিয়। নিজেদের মধ্যে কোনও বিবাদ হলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে নিজেদের মধ্যে ক্রিকেট খেলে বিবাদের মীমাংসা করা হয়।

 

নী/ ল/ ০০৩

 

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY