কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

34

a

লাইভ বার্তাঃ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার তিনটি এলাকার বন বিভাগের ২৭ জন উপকারভোগীকে পাওনা টাকা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার উপকারভোগীরা এই অভিযোগ করেন।

বন কর্মকর্তা ও উপকারভোগীরা জানান, সরকারের উদ্যোগে বন বিভাগের জমিতে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণিগাছ লাগানো হয়। এলাকার দরিদ্র ব্যক্তিরা এসব বাগান পরিচর্যা করেন, যাঁদের উপকারভোগী বলা হয়। বাগানের গাছগুলো পরিপক্ব হলে সেগুলো দরপত্রের মাধ্যমে বিক্রি করে পাওয়া অর্থের একটি অংশ উপকারভোগীদের দেওয়া হয়। এ ছাড়া নতুন করে বাগান করা এবং গাছ পরিচর্যার জন্যও টাকা দেওয়া হয়।
উপকারভোগীরা অভিযোগ করেন, কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা রেঞ্জের আওতায় মৌচাক বিট অফিসের নিয়ন্ত্রণাধীন কৌচাকুড়ি, মাঝুখান ও লোহাকৈর এলাকার বাগান পরিচর্যাকারী ২৭ জন উপকারভোগীর জন্য মৌচাক বিট কর্মকর্তা আহাদ আলীর কাছে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা আসে। বেশ কিছুদিন আগে সংশ্লিষ্ট বন এলাকার উপকারভোগীদের কমিটির সভাপতি আলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল মিয়া, কোষাধ্যক্ষ আ. আজিজ বিট কর্মকর্তা আহাদ আলীকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে আনেন আহাদ আলী। এরপর উপকারভোগীদের ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে বাকি টাকা বিভিন্ন খাতে খরচ হয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। গত মঙ্গলবার মাঝুখান এলাকায় আ. আজিজের বাড়িতে উপকারভোগীদের অর্ধেক টাকা দিয়ে সমুদয় পাওনা বুঝে পাওয়ার সই নেওয়ার অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

কোষাধ্যক্ষ আ. আজিজ বলেন, টাকা কেন কম দেওয়া হচ্ছে, তা তিনি জানেন না। তিনি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জিজ্ঞেস করার পরামর্শ দেন।

বন বিভাগের মূল কমিটির সভাপতি রাহাজ উদ্দিন বলেন, ‘উপকারভোগীদের কাছ থেকে রেখে দেওয়া টাকা কমিটির কাছেই আছে।’ ওই টাকা দিয়ে কী করা হবে—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওই টাকা কী করা হবে, এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’ বন বিভাগের মৌচাক বিট কর্মকর্তা আহাদ আলী তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ঢাকা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বখতিয়ার নূর সিদ্দিকী  বলেন, খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

ঝ/০৬

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY