ইউনাইটেড হাসপাতালের এমডির জামিন বর্ধিত

40
 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

 রাজস্ব ফাঁকির মামলায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের  ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফরিদুর রহমান খানের জামিন আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করেছেন আদালত।

অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষ হতে যাওয়ায় বুধবার ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন ফরিদুর রহমান। তার পক্ষে জামিনের শুনানি করেন সাইদুর রহমান মানিক। দুদকের আইনজীবী মীর আব্দুস সালাম জামিনের বিরোধিতা করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত ফরিদুর রহমান খানের অন্তর্বর্তীকালিন জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৬ এপ্রিল আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের কোর্ট ইন্সপেক্টর আশিকুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গুলশান-২ আবাসিক এলাকায় ২০০৬ সালের আগস্টে কার্যক্রম শুরু করে কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল। ২০০৭ সালে হাসপাতালটির নাম পরিবর্তন করে ইউনাইটেড হাসপাতাল লিমিটেড করা হয়। ২০০৬ সালে কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ঢাকা সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৯ এর তৎকালীন উপ-কর কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন বার্ষিক ২৯ কোটি ৩৮ লাখ ৬৩ হাজার টাকা কর নির্ধারণ করে নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রহমান ওই করারোপের বিষয়টি না মেনে ২০০৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর এআরবি (অ্যাসেসমেন্ট রিভিউ বোর্ড) বরাবর আবেদন করেন। তখন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অন্য দুই সদস্যের অনুপস্থিতিতেই তৎকালীন কমিশনার রহিমা বেগম ২০০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বার্ষিক কর ২৪ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেন। বার্ষিক কর কমানোর ফলে ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত পাওনা কর দাঁড়ায় ১৮ কোটি ২২ লাখ ৬৩ হাজার ৯৫২ টাকা। যদি ভবনের বার্ষিক কর না কমানো হত তাহলে পাওনা হতো ২১ কোটি ৪৪ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৩ টাকা। এই বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য ৬ সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধান দল গঠন করেছিল দুদক। তদন্তের পাওয়া ফলাফলের ভিত্তিতেই চলতি বছর ১১ জানুয়ারি দুদকের পরিচালক মুহ. মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন। অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রাক্তন কমিশনার রহিমা বেগমকেও আসামি করা হয়।

 

জ / ০০৪

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY